সাবি্বর নেওয়াজ/নূরুর রহমান
নজরদারির অভাবে সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত বেসরকারি শত শত স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসার একাডেমিক কার্যক্রমে চরম দুর্দশা বিরাজ করছে। সরকারি অর্থের বিপুল অপচয় হচ্ছে। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে, অথবা যেনতেনভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার পর এসব প্রতিষ্ঠান আর এমপিওভুক্তির নীতিমালা মেনে চলছে না। খাতাপত্রে বেশি শিক্ষার্থী দেখিয়ে সারাদেশে বিপুলসংখ্যক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করানো হয়েছে। এর ফলে সরকারকে বিশাল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি মেনে নিতে হচ্ছে। বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের ভৌত অবকাঠামোও দুর্বল। প্রায় ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শ্রেণী কক্ষ ও আসবাবপত্র নেই। নেই পাঠদানের অনুকূল পরিবেশ। প্রতিষ্ঠানের দাবি করা মোট ছাত্রছাত্রীর তুলনায় ক্লাসে উপস্থিতি কম। এমনকি অনেক প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত পাঠদানও করা হয় না। সরকারি কর্মকর্তারা সরেজমিন গিয়ে সব শিক্ষককে উপস্থিত পাননি। এ সময় দুই শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চলছিল অননুমোদিত ছুটি। অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ের আগে ছুটি হয়ে গেছে। পাওয়া যায়নি প্রধান শিক্ষককেও।
সম্প্রতি এই চিত্র পাওয়া গেছে ঢাকা বিভাগের এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর পরিচালিত এক সরকারি জরিপ প্রতিবেদনে। এর আগে গত বছরের ২৩ আগস্ট রাজশাহী বিভাগের দুই হাজার ৪২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওপর জরিপ করে
এসে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। এ প্রতিবেদন দুটিতে দেখা যায়, এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্বিক চিত্র খুবই হতাশাব্যাঞ্জক।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদফতরের দুটি দল এক ক্রাশ প্রোগ্রামের আওতায় এই জরিপ পরিচালনা করে। এতে ঢাকা বিভাগের ১ হাজার ৫৩৪টি এবং রাজশাহী বিভাগের ২ হাজার ৪১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা হয়। তবে এ প্রতিবেদন সরকারের হাতে আসার পরও এ সমস্যা সমাধানের জন্য তেমন কোনো পদক্ষেপ এ পর্যন্ত চোখে পড়েনি। প্রতি বছর সারাদেশের বেসরকারি পৌনে ৫ লাখ শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিওভুক্তি খাতে সরকার ৩ হাজার ৭শ' কোটি টাকার বেশি অর্থ ব্যয় করে থাকে। বিগত দিনে এমপিও নিয়ে সংঘটিত কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি ও অনিয়মের বর্তমানে তদন্ত করছে দুর্নীতি দমন কমিশন_ দুদক।
পরিদর্শক দল তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, সরকারি এমপিও পাওয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভৌত অবকাঠামো সন্তোষজনক নয়। স্বল্প পরিসরের কক্ষে গাদাগাদি করে শিক্ষার্থীদের বসতে হয়। প্রায় ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় শ্রেণীকক্ষ ও আসবাবপত্র নেই। বেঞ্চ, ব্ল্যাকবোর্ড, চক, ডাস্টারের যেকোন একটি অথবা দুটি নেই। পাঠদানের অনুকূল পরিবেশ নেই। স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি করা শিক্ষার্থীর তুলনায় উপস্থিতির হার নগণ্য। নিয়মিত পাঠদান করা হয় না। পাবলিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ এবং পাসের হার কোনোটাই এমপিওভুক্তির শর্ত পূরণ করে না। পরিদর্শনের দিন অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অননুমোদিতভাবে বন্ধ পাওয়া গেছে। অনেক প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ের আগেই ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। যেগুলো খোলা ছিল তার অধিকাংশে পাঠদান হয়নি, সব শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন না। কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষককে উপস্থিত পাওয়া যায়নি। বিজ্ঞান শাখায় শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল খুবই কম। অনেক প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার আছে, শিক্ষক নেই। এমনকি বিদ্যুৎ সংযোগ পর্যন্ত নেই। কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানে যেমন শিক্ষক সংকট আছে, তেমনি অনেক প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত শিক্ষক রয়েছেন। কাগজে-কলমে শ্রেণী-শাখা চালু আছে, বাস্তবে এর অস্তিত্ব নেই। কোনো কোনো ক্ষেত্রে শাখা চালু থাকলেও এর জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেই। ব্যবস্থাপনা কমিটি সংক্রান্ত মামলা মোকদ্দমার কারণে একাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। দলাদলি ও কোন্দল চলছে।
ঢাকার চিত্র : ঢাকা বিভাগের ১৭টি জেলায় ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালিত হয়। এতে দেখা যায়, ১৩৩টি প্রতিষ্ঠানের সংরক্ষিত তহবিলে এবং ৪৪৬টিতে সাধারণ তহবিলে কোনো টাকা নেই। এমপিওভুক্তির শর্ত অনুযায়ী এই দুটি তহবিলে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা থাকার কথা। ৬৭৯টি প্রতিষ্ঠানে আয়-ব্যয়ের হিসাব ক্যাশ বইতে নিয়মিত ও যথাযথভাবে লেখা হয়নি। ৩৭৬টির ভৌত অবকাঠামো মোটেই ভালো নয়। ক্লাস পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় কক্ষ নেই। ৩৫১টিতে প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র নেই। ৯১৬টিতে নিয়মিত কমিটি থাকলেও ১৮০টিতে এডহক কমিটি রয়েছে। ৪৬২টিতে কোনো কমিটি নেই। এমপিওর শর্ত অনুযায়ী পাবলিক পরীক্ষায় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে কমপক্ষে ১৫ জন উত্তীর্ণ হতে হবে। পরিদর্শনকালে দেখা গেছে, ৮৫৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১৫ জনের কম পাস করেছে। পরীক্ষার্থীর সংখ্যার দিক দিয়ে দেখা গেছে, ১৭৬টিতে সর্বোচ্চ ১০, ৫০৪টিতে ১০ থেকে ২০, ৩২৩টিতে ২১ থেকে ৩০ জন এবং ৪৯৪টিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩০ জনের বেশি। নিয়ম অনুয়ায়ী শহরের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৩শ' এবং গ্রামে ২৫০ জন শিক্ষার্থী থাকতে হয়। পরিদর্শনে দেখা গেছে, ৭২টিতে সর্বোচ্চ ১৫০, ৩০৩টিতে ১৫১ থেকে ২৫০ এবং ১ হাজার ৯০টিতে ২৫০ জনের বেশি শিক্ষার্থী রয়েছে। শিক্ষার্থীর উপস্থিতির হার ৮০ শতাংশ থাকার নিয়ম। পরিদর্শনকালে ৯৯টিতে শূন্য থেকে ৫০ জন, ১৫৮টিতে ৫১ থেকে ১শ, ৫৪৭টিতে ১০১ থেকে ২শ' এবং মাত্র ৬৬১টিতে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি ছিল ২শ'র উপরে। ৪২২টিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৫০ জনের কম।
ক্রাশ প্রোগ্রাম প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, পরিদর্শনকালে দেখা গেছে ১ হাজার ৫৩৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমপিওর ৭৬ লাখ ৬১ হাজার ৩৫৭ টাকা অব্যবহৃত রয়ে গেছে। মৃত্যু, পদত্যাগ, অবসর গ্রহণ ও চাকরিচ্যুতির পরও এমপিও শিটে নাম থাকার কারণে এটি হয়েছে।
রাজশাহীর চিত্র : রাজশাহী বিভাগের ১৬টি জেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা হয়। এতে দেখা যায়, শিক্ষার্থী সংখ্যা খুবই নগণ্য। এমপিওভুক্ত শিক্ষকের সংখ্যা বেশি। ফল খুবই খারাপ। যে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার ফল নিম্নমানের তার মধ্যে দিনাজপুরের স্থান সবার উপরে। এর পরে রয়েছে ঠাকুরগাঁও, রাজশাহী, নওগাঁ, গাইবান্ধা। কুড়িগ্রাম ও সিরাজগঞ্জের অবস্থান খুব একটা সন্তোষজনক নয়।
ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনাকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান 'পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদফতরে'র পরিচালক প্রফেসর ড. রামদুলাল রায় সমকালকে বলেছেন, রাজশাহী বিভাগের রিপোর্ট আগে মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে। ঢাকা বিভাগের রিপোর্ট সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় ব্যবস্থা নেবে। তিনি বলেন, এমপিও প্রাপ্তির জন্য প্রয়োজনীয় শর্ত পালন করছে না এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিও বাতিল কিংবা স্থগিত রাখার জন্য রিপোর্টে সুপারিশ করা হয়েছে।
শিক্ষা সচিব সৈয়দ আতাউর রহমান সমকালকে বলেন, এমপিওভুক্ত বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানে সরকারি বিধি-বিধান যথাযথভাবে প্রতিপালিত হচ্ছে না। এসব প্রতিষ্ঠানের এমপিও প্রত্যাহারসহ মোট ১৭ দফা সুপারিশ করা হয়েছে ক্রাশ প্রোগ্রামের দেওয়া প্রতিবেদনে। সরকার এসব সুপারিশ বিবেচনা করছে। তিনি বলেন, সারাদেশে শিক্ষা প্রসারের জন্য সরকার বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিও খাতে বর্তমানে প্রায় চার হাজার কোটি টাকা খরচ করছে। এই অর্থের সদ্ব্যবহারের জন্য জরুরি ভিত্তিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বেসরকারি শিক্ষা আইন প্রণয়ন করাও জরুরি।
তবে প্রবীণ শিক্ষক নেতা অধ্যক্ষ কাজী ফারুক আহমেদ ক্রাশ প্রোগ্রামের আওতায় এ জরিপের বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করে বলেন, কেবল এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে সরকারি অর্থের অপচয় হয় না, সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও অর্থের অপচয় হচ্ছে। সরকারি অনেক স্কুল-কলেজ থেকেও শতভাগ শিক্ষার্থী ফেল করছে। পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদফতরের একটা মনোভাব থাকে-বেসরকারি শিক্ষকদের শাস্তি দেওয়ার। তিনি বলেন, সরকারি-বেসরকারি উভয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে টাকা ব্যয় হয়। তাই প্রাতিষ্ঠানিক জরিপ, শিক্ষার মান একই মানদণ্ডের ভিত্তিতে বিচার করা সমীচীন। নইলে কম টাকা দিয়ে বেশি জবাবদিহিতা আর বেশি টাকা দিয়ে কম জবাবদিহিতা থাকতে পারে না।
অবশ্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রফেসর নোমান উর রশীদ সমকালকে বলেন, 'এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে যেন সরকারি অর্থের অপচয় না ঘটে, সেজন্য ভবিষ্যতে আমরা আরও কড়া নজরদারি অব্যাহত রাখবো।'
অবৈধ এমপিওভুক্তির তদন্তে দুদক : বিগত ১৭ বছরে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি) থেকে সারাদেশে কমপক্ষে দুই হাজার বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অবৈধভাবে এমপিওভুক্ত করা হয়েছে। ১৯৯২ সাল থেকে ২০০৯ পর্যন্ত সময়ে অবৈধ এমপিও পেয়েছে ৫৫৫টি ডিগ্রি কলেজ, ৪০০টি জুনিয়র স্কুল ও ৩৭৩টি মাদ্রাসা। এছাড়াও রয়েছে মাধ্যমিক স্কুল ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এ অবৈধ কাজের জন্য মাউশিতে কমপক্ষে ৮৬ কোটি টাকা ঘুষ লেনদেন হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কর্মকর্তারা। অবৈধ উপায়ে এসব প্রতিষ্ঠান এমপিভুক্ত করায় মাউশির সাবেক সাত মহাপরিচালকসহ মোট ২৫ কর্মকর্তাকে দায়ী করেছে দুদক। তারা এই ২৫ জনের ব্যক্তিগত নথি চেয়ে পাঠিয়েছে। ১৭ বছরে এমপিও নিয়ে সংঘটিত দুর্নীতির তদন্তে এখন মাঠে নেমেছে দুদক।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সমকালকে বলেন, 'শুধু এমপিওর দুর্নীতি নয়, অতীতের যে কোনো অনিয়ম নজরে এলেই আমরা তা তদন্ত করবো।' তিনি বলেন, 'অবৈধ এমপিওর মাধ্যমে সরকারের বিপুল আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। একটা সময় বলা হতো_ সরকারি মাল, দরিয়ামে ঢাল। এখন আর তা হতে দেওয়া হবে না। শিক্ষা খাতে কোনো রকম দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না।'
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দুদকের পাশাপাশি এমপিও দুর্নীতি নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিজস্বভাবে তদন্ত করবে। এর আগে গত বছরের ১৩ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে দেওয়া এক পত্রে এখতিয়ার বহির্ভূতভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য নির্দেশ দিয়েছিল অর্থ মন্ত্রণালয়।
শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য : দেশজুড়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্বিক দুর্দশা ও অর্থ অপচয় নিয়ে গতরাতে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সমকালকে বলেন, আগে নিয়মকানুন ও বিধিবিধান অনুসরণ না করায় এমপিও নিয়ে সারাদেশে অঞ্চলভিত্তিক ব্যাপক বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে। এমনও দেখা গেছে, যেখানে স্কুল এমপিওভুক্ত করা দরকার ১০টি, করা হয়েছে ৩০টি। আবার যেখানে স্কুল এমপিওভুক্ত করা দরকার, সেখানে করা হয়নি। এখন বাড়তি এমপিওভুক্ত স্কুলগুলোর এমপিও রাতারাতি বন্ধ করে দেওয়া যৌক্তিক হবে কি-না তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট সবার মতামত নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। তাই আমরা এখন তথ্য সংগ্রহ করছি। সরকারের আর্থিক অপচয় রোধে ও এমপিওর বৈষম্য দূর করতে যা করা দরকার, যৌক্তিক সবকিছুই করা হবে। তিনি আরও বলেন, তবে এটুকু বলা যায়, যেখানে একেবারেই ক্লাস হয় না, শিক্ষার্থীরা কিছু শিখতে পারে না, পাসও করে না, এমন স্কুল দিয়ে আমরা কী করব? এগুলো নিয়ে আমরা সবার সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব।