যুগান্তর রিপোর্ট
জাতীয় সংসদে উত্থাপিত সংসদ সদস্যদের আচরণ বিল চলতি অধিবেশনে পাস হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। বিলটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য জাতীয় সংসদের বেসরকারি সদস্যদের বিল ও সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। এখনও বিলটির পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ করা হয়নি। সংসদ সদস্য আচরণ বিল-২০১০ নামে বিলটি উত্থাপন করেন সরকারদলীয় সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী। উত্থাপিত বিলে সংসদ সদস্যদের আয় ও সম্পদের উৎস জনসমক্ষে প্রকাশ বাধ্যতামূলক করতে প্রস্তাব আনা হয়েছে। একই সঙ্গে সংসদ সদস্যদের ৫ হাজার টাকার ঊর্ধ্বে উপঢৌকন নেয়া নিষিদ্ধ এবং তদবির করার সীমা নির্ধারণের প্রস্তাবও করা হয়েছে। এছাড়া উত্থাপিত বিলে সংসদ সদস্যদের নীতি-নৈতিকতার মান নির্ধারণ, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আচরণ, সেবা গ্রহণ ও সুপারিশের সীমা নির্ধারণের নীতিমালাসহ ১০টি বিধিবিধান করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বিলটিতে বলা হয়, কোনো সংসদ সদস্য ৫ হাজার টাকা মূল্যমানের বেশি উপঢৌকন বা সেবা গ্রহণ করলে সংসদের নৈতিকতা কমিটিকে অবহিত করতে হবে। এছাড়া এমপিদের নৈতিক আচরণ সম্পর্কে কোন অভিযোগ থাকলে তা নৈতিক আচরণ সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পেশ করা যাবে এবং ওই কমিটি অভিযোগ পর্যালোচনা করে সুপারিশসহ সংসদে উত্থাপন করতে পারবে। এজন্য স্পিকারের নেতৃত্বে ৯ সদস্যের একটি স্থায়ী নৈতিকতা সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি গঠনেরও প্রস্তাব করা হয়েছে।