Bangla Blog

Tuesday
Sep 07th
Home jugantor ভাষা শহীদদের স্বপ্নপূরণের অঙ্গীকারে একুশ উদযাপিত

ভাষা শহীদদের স্বপ্নপূরণের অঙ্গীকারে একুশ উদযাপিত

User Rating: / 0
PoorBest 
যুগান্তর রিপোর্ট গভীর শ্রদ্ধা আর দৃপ্ত শপথে রোববার পালন করা হয়েছে মহান একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। বিশ্ব বাঙালির সঙ্গে গোটা পৃথিবী নানা আয়োজনে স্মরণ করে ১৯৫২ সালে ভাষার জন্য জীবন উৎসর্গ করা বঙ্গবীরদের। ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শুরু করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের স্মৃতির মিনার ফুলে ফুলে ছেয়ে যায় একুশের প্রথম প্রহরে। পলাশ আর শিমুল ফোটা ফাল্গ-নের একটু একটু শীতমাখা রাতে খালি পায়ে প্রভাত ফেরিতে ফেরিতে উচ্চারিত হয় অবিনাশী সুর- ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি/ আমি কি ভুলিতে পারি?’ ভাষার শুদ্ধতা রক্ষা, প্রশাসন ও উচ্চ আদালতে বাংলার ব্যবহার, মৌলবাদ ও জঙ্গিবাদ প্রতিহত করা এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর দাবিও ছিল এবারের শহীদ দিবসের অন্যতম বিষয়। ভাষা শহীদদের স্বপ্নপূরণের অঙ্গীকারও ধ্বনিত হয়েছে শহীদ বেদিতে। বিএনপি-জামায়াতের পাঁচ বছর আর অনির্বাচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দু’বছর পেরিয়ে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের আমলে এটা ছিল দ্বিতীয়বারের মতো একুশ উদযাপন। তাই সব দিক থেকেই এবারের একুশ উদযাপন ছিল ভিন্নমাত্রার। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রথমবারের শাসনামলে ১৯৯৯ সালে জাতিসংঘ ২১শে ফেব্রুয়ারিকে স্বীকৃতি দেয়। সেই থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয় গোটা বিশ্বে। এবারের একুশে ফেব্রুয়ারির দিনে রাজধানীতে উদ্বোধন করা হয়েছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইন্সটিটিউট। প্রভাত ফেরি, শহীদ বেদি আর ভাষা দিবসের আলোচনায় অন্য ভাষার মর্যাদা রক্ষারও জোর দাবি উঠেছে। আর এবারই প্রথম বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারিকে স্বপ্রাণ করে তুলতে আয়োজন করা হয় ‘দুনিয়া কাঁপানো ৩০ মিনিট’র। সেই দিন মাত্র ৩০ মিনিটেই ঘটেছিল অসম্ভব সব ঘটনা। ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে থেকে সেদিন ৩টা ২৫ মিনিটে বের হয় রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে মিছিল। সেই মিছিলে গুলি চালায় তৎকালীন পাকিস্তান শাসকগোষ্ঠী। গুলিতে নিহত হন রফিক, শফিক, সালাম, জব্বার, বরকতসহ নাম না-জানা অনেকে। সেই স্মৃতি তুলে আনতে সেই মিছিলে অংশ নেয়া ভাষাসৈনিক আবদুল মতিন, আহমদ রফিক দুনিয়া কাঁপানো ৩০ মিনিটের আয়োজনে অংশ নেন। এই আয়োজনে মানুষের ঢল নামে। একুশের সব আয়োজনকে ঘিরেই গতকাল রাজধানীসহ সারাদেশে ছিল মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ। রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিতকার জন্য কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ঘিরে নজিরবিহীন নিরাপত্তা গড়ে তোলা হয়। একুশের প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি মোঃ জিল্লুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। মন্ত্রিপরিষদের সদস্য এবং আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের সঙ্গেও শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী। জাতীয় সংসদের স্পিকারের পক্ষে ডেপুটি স্পিকার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, তিন বাহিনীর প্রধান, জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের নেতা খালেদা জিয়াসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর নিরাপত্তার কড়াকড়ি একটু শিথিল হয়। এ সময় শহীদ মিনারে আছড়ে পড়ে মানুষের বিশাল সে াত। রাত থেকে ২১ ফেব্রুয়ারির বিকাল পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে আবালবৃদ্ধবনিতা বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করে অমর ভাষা শহীদদের। মায়ের হাত ধরে ছোট্ট মেয়ে, বাবার কোলে চড়ে অবুঝ শিশুরা ফুল দিতে আসে শহীদ মিনারে। যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, ’৫২ সালের ভাষার মিছিলে অংশ নেয়া ভাষাসৈনিকসহ এ প্রজন্মের সন্তানরা শহীদ মিনারে মিলিত হয় নতুন করে শপথ নিতে। এ সময় তারা সর্বস্তরে বাংলা ভাষা প্রচলনের দাবি জানান। তারা বলেন, ভাষার বিকৃতির জন্য আমাদের পূর্বসূরিরা জীবন দেননি। তারা বিভিন্ন গণমাধ্যমে মাতৃভাষার বিকৃতি ঠেকানোর আহ্বান জানান। প্রমিত ভাষার ব্যবহারের প্রতি জোর দেন । বরাবরের মতো একুশে ফেব্রুয়ারি ছিল সাধারণ ছুটির দিন। বাঙালির জন্য শোক এবং গৌরবের এ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশন, জাতীয় সংবাদপত্র, বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল, এফএম রেডিও দিনভর বিশেষ আয়োজন করে। একুশে ফেব্রুয়ারির তাৎপর্য তুলে ধরে দৈনিক যুগান্তরসহ জাতীয় দৈনিকগুলো বিশেষ প্রকাশনার আয়োজন করে। সরকারের পক্ষ থেকে বের করা হয় বিশেষ ক্রোড়পত্র। একুশের প্রথম প্রহরে বিটিভির সৌজন্যে অন্য চ্যানেলগুলো কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে সরাসরি অনুষ্ঠান সম্প্রচার করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্বাবধানে একুশ উদযাপন কমিটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রচার মঞ্চ বানিয়ে অনুষ্ঠানের ধারা বর্ণনা করে। আবৃত্তি শিল্পীরা রাতভর, পরে একুশের বিকাল পর্যন্ত একুশের কবিতা আবৃত্তি করেন। মহান একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে পত্রিকা অফিস বন্ধ থাকলেও বিশেষ ব্যবস্থাপনায় কাজ চলে এদিন। রাজধানীর এই ব্যস্ততার পাশাপাশি সারাদেশে একুশকে ঘিরে মেতে ওঠে সাধারণ মানুষ। একুশের গান, কবিতা আবৃত্তি, নৃত্য আর নাটকে নাটকে মুখর হয়ে ওঠে প্রতিটি প্রাঙ্গণ। দেশের প্রায় সব শিক্ষাঙ্গনে স্থায়ী এবং অস্থায়ী শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। গ্রামের ফসল কাটা মাঠে, মফস্বলের পার্কে মঞ্চ বানিয়ে আয়োজন করা হয় একুশের অনুষ্ঠানের। ২১ তারিখ মধ্যরাত পর্যন্ত চলে এই আয়োজন। আর একুশকে কেন্দ্র করে বাংলা একাডেমীর বইমেলা মেতে ওঠে অন্য এক মুখরতায়। এদিন মানুষের বন্যা নেমে আসে মেলা প্রাঙ্গণে। বই বেচাকেনায় রেকর্ড হয় এদিন। অন্তহীন স্রোত : শনিবার মধ্যরাত থেকে রোববার বিকাল পর্যন্ত ছিল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারমুখী মিছিলের অন্তহীন স্রোত। ধর্ম, বর্ণ পেশা, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে শহীদদের স্মরণে নগ্ন পায়ে অংশ নেয় প্রভাতফেরিতে। মায়ের কোলে আর বাবার কাঁধে চড়ে শিশুরাও যোগ দেয়। আবার ছেলের সহায়তায় হুইল চেয়ারে বসেও এসেছেন বৃদ্ধ পিতা। নারী, শিশু, তরুণ-তরুণী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্রছাত্রী, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী, সমাজকর্মী, সাংস্কৃতিক কর্মী, রাজনীতিবিদ সবাই এখানে একাকার। হাতে ছিল লাল, সাদা, নীল, বেগুনী, গোলাপিসহ নানা রঙের ফুল। বিদেশীদের অংশগ্রহণও ছিল ব্যাপক। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে মানুষের বাঁধভাঙা জোয়ার। জনতার এ স্রোত সামাল দিতে আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের হিমশিম খেতে হয়। তবুও সবকিছু সম্পন্ন হয়েছে সুশৃংখলভাবে। শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন যারা : একুশের প্রথম প্রহরের পর রোববার সকাল থেকে যেসব রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে সেগুলো হচ্ছে- স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ, জাতীয়তাবাদী যুবদল, ঢাকা আইনজীবী সমিতি, যুব মহিলা লীগ, ওয়ার্কার্স পার্টি, খেলাফত মজলিস, ন্যাপ, সিপিবি, ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ, গণফোরাম, বাসদ, বাকশাল, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম, গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা, প্রগ্রেসিভ পার্টি, কৃষক শ্রমিক পার্টি, জাতীয় জনতা পার্টি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ছাত্রদল, জাসদ ছাত্রলীগ, ছাত্র ফ্রন্ট, ছাত্র ফেডারেশন, যুবমৈত্রী, ইসলামী ছাত্র মজলিস, ছাত্রমুক্তি, ছিন্নমূল হকার্স লীগ, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়-বুয়েট, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি, বাংলা একাডেমী, শিল্পকলা একাডেমী, জাতীয় জাদুঘর, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় প্রেস ক্লাব, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে), ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি, বাংলাদেশ টেলিভিশন, যমুনা টেলিভিশন, বৈশাখী মিডিয়া, দৈনিক প্রথম আলো, ঢাকা নিউজ২৪ ডটকম, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ), কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসর, ওলামা লীগ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, ডেসটিনি গ্রুপ, একুশের চেতনা, বঙ্গবন্ধু যুব পরিষদ, বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা পরিষদ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী, বঙ্গবন্ধু একাডেমি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল, বঙ্গবন্ধু শিশু একাডেমী, ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, জাতীয় বিদ্যুৎ শ্রমিকলীগ, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা পরিষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী সমিতি, নজরুল ইন্সটিটিউট, কবি সংসদ বাংলাদেশ, জাতীয় লেখক ফোরাম, সাহিত্য সংস্কৃতি কেন্দ্র, কিডজি বাংলাদেশ, অক্সফোর্ড স্কুল, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, গণচেতনা উন্নয়ন পরিষদ, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশন, ঢাকা সড়ক পরিবহন সমিতি, সামাজিক-রাজনৈতিক সাংবাদিক আন্দোলন, প্রতিকার, বঙ্গবন্ধু আদর্শ মূল্যায়ন ও গবেষণা সংসদ, চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়, অফিসার্স ক্লাব ঢাকা, উদয়ন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বুয়েটের অফিসার্স এসোসিয়েশন, বুয়েট এমপ্লয়িজ এসোসিয়েশন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর, লিও ক্লাব অব ঢাকা ইউনিভার্সিটি, নটর ডেম কলেজ, সংবাদপত্র কর্মচারী ফেডারেশন, ইন্সটিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ, চাঁদের হাট, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী, আইডিয়াল ল’ কলেজ, গুলশান ক্লাব লিমিটেড, মিল ব্যারাক সমাজ কল্যাণ সংগঠন, নৌকা মাঝি শ্রমিক লীগ, টাঙ্গাইল জেলা সমিতি ঢাকা, বাংলাদেশ প্রেস ইন্সটিটিউট, কর্মসংস্থান ব্যাংক, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, শ্রমজীবী মুক্তি আন্দোলন, সন্ধানী, জাতীয় যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, অগ্নিবীণা ললিতকলা একাডেমি, আইডিয়াল কমার্স কলেজ, বিমান বাংলাদেশ শ্রমিক ইউনিয়ন, ন্যাপ (ভাসানী), হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব হল, নার্সিং ইন্সটিটিউট, সিলেট বিভাগ উন্নয়ন সংগ্রাম পরিষদ, ঢাকা সিটি কর্পোরেশন অফিসার্স এসোসিয়েশন, কৃষিবিদ ইন্সটিটিউশন বাংলাদেশ, জাতীয় শিল্পীগোষ্ঠী, মার্কেটিং স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন, ঢাকা মহানগর খুচরা পুস্তক বিক্রেতা বহুমুখী সমবায় সমিতি, সরকারি তৃতীয় শ্রেণী কর্মচারী ইউনিয়ন, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি, শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ), বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র, কৃষক শ্রমিক মুক্তি আন্দোলন, বিবেকানন্দ শিক্ষা ও সংস্কৃতি পরিষদ, জাতীয় ছাত্রসমাজ, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, ত্রিপুরা স্টুডেন্টস ফোরাম, মারমা স্টুডেন্টস কাউন্সিল, নাট্য নির্দেশক কল্যাণ সমিতি, ছাত্রমৈত্রী, যুবমৈত্রী, জিনজিরা একতা সংঘ, গারো স্টুডেন্টস ইউনিয়ন, মোহাম্মদপুর ল’ কলেজ, ইরাক-কুয়েত প্রত্যাগত বাংলাদেশ কল্যাণ সমিতি, জাতীয় জনতা পার্টি, ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ), পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ, যুব ইউনিয়ন, প্রগতিশীল ছাত্রজোট, ছাত্র ইউনিয়ন, শেখ বোরহানউদ্দিন পোস্ট গ্রাজুয়েট কলেজ, জাতীয় ছাত্রদল, ছাত্রঐক্য ফোরাম, ঢাকা মহানগরী রিকশা চালক কল্যাণ সমিতি, প্রশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্র, জাতীয় শ্রমিক জোট বাংলাদেশ, ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, উল্কা নারী সংঘ, সোনার বাংলা যুব পরিষদ, বঙ্গবন্ধু শিশু একাডেমী (বিএসএ), পল্লী উন্নয়ন লীগ, কেন্দ্রীয় যুব সংগ্রাম পরিষদ, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, জাকের পার্টি, তিতাস গ্যাস এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টি, জালালী পার্টি, পাকমন পিপলস পার্টি, অধ্যক্ষ পরিষদ, ক্রিসেন্ট গ্যাস্ট্রোলিভার এন্ড জেনারেল হসপিটাল লিঃ, সুন্দরম সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংসদ, জিয়া মঞ্চ, বাংলাদেশ অ্যাডমিনেস্ট্রেটিভ সার্ভিস এসোসিয়েশন, মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদ, জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন, বাংলাদেশ গারো ছাত্র সংগঠন, ছিন্নমূল হকার্স সমিতি, বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশন, স্বাধীনতা পার্টি, শ্রমিক কৃষক সমাজবাদী দল, সমাজবাদী ছাত্রজোট, সেবা বাংলাদেশ, প্রপদ, বিপ্লবী ঐক্যফ্রন্ট, ঢাকা মহানগর হোটেল-রেস্তোরাঁ শ্রমিক ইউনিয়ন, গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরাম, শহীদ জিয়া গবেষণা পরিষদ, বুড্ডিস্ট ফেডারেশন, ফরওয়ার্ড পার্টি, গণতান্ত্রিক ঐক্যজোট, লেক সার্কাস উচ্চ বিদ্যালয়, হাঙ্গার প্রজেক্ট, স্বাধীনতা ফোরাম, মুক্তিযোদ্ধা লীগ, পোশাক শিল্প শ্রমিক ফেডারেশন, মুন্সীগঞ্জ বিক্রমপুর সমিতি, ছাত্রকেন্দ্র, জাতীয় যুব সংহতি, ডিপ্লোমা বেকার নার্সেস এসোসিয়েশন, গণসংহতি আন্দোলন, বহুমুখী কর্মজীবী ও হকার সমিতি, ছাত্র ফেডারেশন, দুর্জয় নারী সংঘ, জাতীয় গণফ্রন্ট, খ্রিস্টান এসোসিয়েশন, বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রী, জাতীয় গণতান্ত্রিক শ্রমিক ফেডারেশন, বিবর্তন সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, গার্মেন্টস শ্রমিক মুক্তি আন্দোলন, বলাকা শিল্পীগোষ্ঠী, জিয়া ইয়ুথ ফোরাম, ঢাকা ক্লাব, প্রোগ্রেসিভ পার্টি, স্থ্পতি ইন্সটিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কারিগরি কর্মচারী সমিতি, উত্তরবঙ্গ জনকল্যাণ সমিতি, বিজ্ঞানচেতনা পরিষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ, গণতান্ত্রিক মজদুর পার্টি, সড়ক ও জনপথ প্রকৌশলী সমিতি, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতর ডিপ্লোমা প্রকৌশল সমিতি, রেলওয়ে ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতি, ডেসা ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতি, পানি উন্নয়ন বোর্ড ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতি, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতি, বিএডিসি ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স এসোসিয়েশন, রাজউক ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতি, চট্টগ্রাম সমিতি, বাংলাদেশ চতুর্থ শ্রেণী সরকারি কর্মচারী সমিতি, সিলেট বিভাগ উন্নয়ন পরিষদ, সিলেট বিভাগ উন্নয়ন ছাত্র পরিষদ, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম, দেশীয় চিকিৎসক সমিতি, স্বর্ণশিল্পী কারিগরবৃন্দ, ক্যারম ফেডারেশন, স্বাধীন বাংলা সাংস্কৃতিক সংস্থা, অন্বেষা, সম্মিলিত শ্রমিক ফোরাম, যাত্রা শিল্প উন্নয়ন পরিষদ, তফসিলজাতি ফেডারেশন, জিয়া ফোরাম, নির্মাণ শ্রমিক লীগ, কমিউনিটি পুলিশ, বাংলাদেশ সংস্কৃতি কেন্দ্র, উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল, ইবাইস ইউনিভার্সিটি, স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি, কৃষি ব্যাংক কর্মচারী ইউনিয়ন, বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদ, ঢাকা মেট্রোপলিটন বার এসোসিয়েশন, ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ, সিটি রয়েল কলেজ, সালেহা স্কুল এন্ড কলেজ, স্টেপ মিডিয়া লিমিটেড, আরশীনগর শিল্পীগোষ্ঠী, ইউসেফ বাংলাদেশ, ধানমণ্ডি কলেজ, ঢাকা কলেজ, বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি, ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ পরিবার-পরিকল্পনা অধিদফতর কর্মচারী ইউনিয়ন, নারী মুক্তি আন্দোলন, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এমবিএ এসোসিয়েশন, জনতা ব্যাংক লিমিটেড, জনতা ব্যাংক সিবিএ, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, কলাভারতী ব্যালে (কলকাতা), পিডিবি, আইসিইউসি, জাতীয় মহিলা জোট, বাংলাদেশ চ্যাপ্টার, মৃত শিল্প বিকাশ কেন্দ্র, এলজিইডি ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতি, বাকশাল, ছাত্রফ্রন্ট, বিআইডব্লিউটিএ, বাংলাদেশ খাদ্য পরিদফতর সমিতি, বাংলাদেশ আর্ট ইন্সটিটিউট, কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগ, ডেমোক্রেসি ওয়াচ, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কেন্দ্রীয় কমিটি, যুব উন্নয়ন ক্রেডিট সুপারভাইজার কল্যাণ সমিতি, ঢাকা সাব এডিটরস কাউন্সিল, বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদ প্রমুখ সংগঠন। এছাড়া বহু সংগঠন রাজধানীতে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, গান, রচনা, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। সেগুলোর মধ্যে অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, দোলাইরপাড় উচ্চ বিদ্যালয়, প্রথম আলো, বাংলাদেশ শিশু একাডেমী, কুমিল্লা জেলা, আর্ট-ই-ফাল্গ-ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংসদ, সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া ঢাকা, আরকে চৌধুরী ডিগ্রি কলেজ, নর্থ-সাউথ প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড, নর্দান ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় উল্লেখযোগ্য। চট্টগ্রাম ব্যুরো : একুশের প্রথম প্রহরে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন, মেট্রোপলিটন পুলিশ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। প্রথম প্রহর থেকে শুরু হওয়া ভিড় শেষ হয় সকাল ১০টায়। শহীদ মিনার এলাকায় ছিল র‌্যাব ও পুলিশের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। রাত ১২টা বাজতেই প্রথমে অমর ভাষা শহীদের প্রতি সশদ্ধ সালাম জানায় মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি দল। এরপর একে একে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ডা. আফছারুল আমীন, বন ও পরিবেশ মন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী ও সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বিএসসি। এরপর বিভাগীয় কমিশনার এমএএন ছিদ্দিক, জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ মনিরুজ্জামান, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব এবং চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতারা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে সিটি মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বে মহানগর আওয়ামী লীগের একটি বড় মিছিল শহীদ মিনারে এসে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গণশিক্ষা মন্ত্রী ডা. আফছারুল আমীন, সাধারণ সম্পাদক ইনামুল হক দানু, ইব্রাহিম হোসেন বাবুল প্রমুখ নেতা। সাধারণ সম্পাদক এমএ ছালামের নেতৃত্বে উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ সিটি মেয়র ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের নিয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। আ জ ম নাছির উদ্দিনের নেতৃত্বে মহানগর আওয়ামী লীগের আরেকটি অংশ এবং চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি সংসদ সদস্য এমএ লতিফ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। সংসদ সদস্য আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু ও মোছলেম উদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ, সাবেক মন্ত্রী মনজুর মোর্শেদ খান ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেনের নেতৃত্বে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য সোলায়মান আলম শেঠের নেতৃত্বে মহানগর জাতীয় পার্টি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায়। এছাড়া যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ, বিএনপি, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, কমিউনিস্ট পার্টি, ওয়ার্কার্স পাটি, জাসদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও শিশুকিশোর সংগঠন ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায়। সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে সকালে কর্পোরেশনভুক্ত স্কুল-কলেজ ছাত্রছাত্রীদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য প্রভাতফেরি টিআইসি চত্বর থেকে বের হয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়। এরপর লালদীঘি ময়দানে দশ দিনব্যাপী একুশে বইমেলার সমাপনী দিনে সকালে অনুষ্ঠিত হয় শিশু-কিশোর চিত্রাংকন, আবৃত্তি ও সঙ্গীত প্রতিযোগিতা। বিকালে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সিটি মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী। প্যানেল মেয়র সদস্য সালেহ আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর এমএ নাসের, জহর লাল হাজারী, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ড. অনুপম সাহা, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ইফতেখার আহমদ প্রমুখ। জেলা প্রশাসন ও শিল্পকলা একাডেমী যৌথভাবে একুশের কর্মসূচি পালন করে। সকালে প্রভাতফেরিযোগে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এছাড়া চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, বিকালে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এহছানে এলাহী। একুশের প্রথম প্রহরে চবির কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. আবু ইউসুফ ও প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. মোঃ আলাউদ্দিন। এছাড়া চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নেতারা, সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. গাজী সালেহ উদ্দিন, চবি মহিলা সংসদের সভানেত্রী রওশন আরা ইউসুফ, হলসমূহের প্রভোস্টরা, ওয়ার্ডেন, বিভিন্ন বিভাগীয় সভাপতি, বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব, সমন্বয় কর্মকর্তা বিএনসিসি, চবি কলেজ, চবি সাংবাদিক সমিতি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। চবি ছাত্রলীগ ক্যাম্পাসের গোলচত্বর থেকে প্রভাতফেরিসহ কাটা পাহাড় পাদদেশ হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদ প্রদক্ষিণ করে চবি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সভাপতি আবুল মনসুর জামশেদ, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ এরশাদ হোসেন, আনিসুজ্জামান ইমন, জয়নাল আবেদীন প্রমুখ। মহানগর বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদ ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানায়। চেয়ারম্যান কমডোর আরইউ আহমেদের নেতৃত্বে সকালে বন্দর রিপাবলিক ক্লাব প্রাঙ্গণের শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এছাড়াও দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে ছিল সুন্দর হাতের লেখার প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নাটক। নৌবাহিনী পরিচালিত শিশু নিকেতন ১ ও ২-এর উদ্যোগে চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নৌবাহিনী প্রধানের স্ত্রী শবনম আহমেদ। চাঁদেরহাট চট্টগ্রাম জেলা ও আগ্রাবাদ ডেবারপাড় শাখা যৌথভাবে প্রভাতফেরিযোগে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। বরিশাল ব্যুরো : দিবসের প্রথম প্রহর রাত ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ ীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র শওকত হোসেন হিরণ। এরপর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিভাগীয় কমিশনার নুরুন নবী তালুকদার, ডিআইজি বিনয় কৃষ্ণ বালা, জেলা প্রশাসক মোঃ মশিউর রহমান ও পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান। সূর্যোদয়ের পরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ, জেলা ও মহানগর বিএনপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠন। এছাড়াও পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, শিক্ষা বোর্ড, বরিশাল প্রেস ক্লাব, সাংবাদিক ইউনিয়ন, যুগান্তর স্বজন সমাবেশ, বাংলাদেশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, বিএম কলেজসহ পাঁচ শতাধিক সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান। দিনের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে ছিল- সব স্কুল-কলেজ, সরকারি-আধাসরকারি-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি ভবনগুলোতে অর্ধনমিত অবস্থায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল ৬টায় অশ্বিনী কুমার টাউন হল থেকে সর্বস্তরের জনসাধারণের সমন্বয়ে কেন্দ ীয় শহীদ মিনার পর্যন্ত প্রভাত ফেরি, বিকাল ৩টায় শহীদ মিনার চত্বরে শিশুদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, ভাষার গান প্রতিযোগিতা এবং সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় অশ্বিনী কুমার টাউন হলে আলোচনা সভা, শিশুদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিটি মেয়র শওকত হোসেন হিরণ। বিশেষ অতিথি ছিলেন ডিআইজি বিনয় কৃষ্ণ বালা, বিএমপি কমিশনার ডা. মোঃ আবদুর রহিম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় কমিশনার মোঃ নুরুন নবী তালুকদার। সপ্তডিঙ্গা ক্রীড়া চক্রের উদ্যোগে নগরীর চকপট্টিতে আয়োজন করা হয় স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি। অপরদিকে বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার রোববার ছিল সমাপণী দিন। সমন্বয় পরিষদের সভাপতি সৈয়দ দুলালের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা ও গুণীজন সম্মাননা অনুষ্ঠানে আলোচনা করেন সিটি মেয়র শওকত হোসেন হিরণ, নিখিল সেন, সাইফুর রহমান মিরন প্রমুখ। আনোয়ার শামীমের নির্দেশনায় শব্দাবলী গ্রুপ থিয়েটার ‘বধ্যভূমিতে শেষ দৃশ্য’ এবং গোপাল কৃষ্ণ গুহ রিপনের নির্দেশনায় নাট্যম ‘কুকুরেরা’ নাটক পরিবেশন করে। বাংলাদেশ টিএন্ডটি শ্রমিক-কর্মচারী ফেডারেল ইউনিয়নের বরিশাল টেলিকম বিভাগীয় কমিটির উদ্যোগে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ, প্রভাত ফেরি, শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ এবং বিকালে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় বিভাগীয় সভাপতি মোঃ হারুন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ আশরাফ আলী মৃধা, আবুল হোসেন ফকির, মোঃ জাহিদ হোসেন প্রমুখ। এছাড়াও বাংলাদেশ সচেতন নাগরিক কমিটিসহ বিভিন্ন সংগঠন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিস্তারিত কর্মসূচি পালন করে। সিলেট ব্যুরো : সিলেটে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন দিনব্যাপী কর্মসূচি পালন করে। কর্মসূচির মধ্যে ছিল দিবসের প্রথম প্রহরে শহীদমিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, সকালে প্রভাত ফেরি, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। রোববার সকালে সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে নগরীতে এক বর্ণাঢ্য প্রভাত ফেরি করা হয়। এতে নগরীর বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন অংশ নেয়। একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ ীয় শহীদ মিনারে ’৫২-র ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের শ্রদ্ধা জানান অগণিত মানুষ। রাত ১২টা ১ মিনিট বাজতেই শুরু হয় পুষ্পস্তবক অর্পণ। সর্বপ্রথম পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন শহীদ মিনার বাস্তবায়ন পরিষদ। তারপর একে একে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সিলেটের মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, সিটি কর্পোরেশন, সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান চৌধুরী, সিকৃবি উপাচার্য, বিভাগীয় কমিশনার, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, ডিআইজি অব পুলিশ, জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ প্রশাসন, আরআরএফ পুলিশ রেঞ্জ, আনসার-ভিডিপি, জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ, জেলা ও মহানগর বিএনপি, জোনাল সেটেলমেন্ট, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ, সিটি কর্পোরেশন কর্মচারী সংসদ, জেলা আইনজীবী সমিতি, সিলেট প্রেস ক্লাব, দৈনিক শ্যামল, দৈনিক উত্তরপূর্ব, দৈনিক সবুজ সিলেট, সমকাল সুহূদ সমাবেশ সিলেট জেলা কমিটি, অন্তরঙ্গ ক্রীড়া চক্র উত্তর কাজিটুলা, মহানগর গণতন্ত্রী পার্টি, ছাতক সমিতি, জেলা ও মহানগর ছাত্রদল, হাওর উন্নয়ন পরিষদ, জেলা ন্যাপ, গোবিন্দ পাল স্মৃতি পরিষদ, এটিএন বাংলা, জেলা কর আইনজীবী সমিতি, প্রান্তিক পর্ষদ, নজরুল একাডেমি, খাদ্য কর্মচারী ঐক্যপরিষদ, উপশহর ইয়ুথ সোসাইটি, গোয়াইনঘাট মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, ব্যাংক অফিসার্স ক্লাব, সাম্যবাদী দল, জেলা জাসদ, যুব রেডক্রিসেন্ট, ছাত্রফ্রন্ট, শ্রমিক ফ্রন্ট, জাতীয় পার্টি বিজেপি, ফটোগ্রাফিক সোসাইটি, জালালাবাদ গ্যাস, সবুজ সাথী, জেলা বাসদ, শিল্পাঙ্গন, কৃষক পার্টি, চিরন্তন, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্যপরিষদ, জনতা পার্টি, যাত্রা শিল্পী গোষ্ঠী, ইয়েস বাংলাদেশ, আরকুম শাহ শিল্পী গোষ্ঠী, শিল্পী সংসদ, মনিপুরী ছাত্র পরিষদ, নাগরিক অধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ, জেলা ও মহানগর ছাত্রলীগ, সংবাদপত্র হকার্স সমিতি, স্টেশন ক্লাব, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ, জিয়া পরিষদ, জেলা ও মহানগর যুবদল, হোটেল শ্রমিক দল, সোপান, সিলেট বিভাগ উন্নয়ন পরিষদ, ছাতক-দোয়ারাবাজার উন্নয়ন পরিষদ, মৌসুমী ক্রীড়া সংস্থা, কুশিয়ারা লায়ন্স ক্লাব, নৃত্যাশ্রম, এমসি কলেজ ছাত্রদল, তরুণ পার্টি, আম্বরখানা বাজার কমিটি, সিলেট কল্যাণ সংস্থা, জেলা স্বর্ণ শিল্প সমিতি, সিলেট বিভাগীয় গীতিকার সংসদ, জাগো সিলেট কেন্দ ীয় কমিটি, শহীদ সামসুদ্দিন হাসপাতাল, সময়ের কণ্ঠ, ওয়ার্কার্স পার্টি, যুব ও ছাত্রমৈত্রী, মহানগর শ্রমিক লীগ, হকার্স লীগ, রিকশা ভ্যান শ্রমিক লীগ, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, বিবর্তন, বিহঙ্গ তরুণ সংঘ, মুনওয়াকার, স্পাইসি রেস্টুরেন্ট, সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা যুব কমান্ড, নর্থ ইস্ট মেডিকেল কলেজ, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ, অধ্যক্ষ ওসমানী মেডিকেল কলেজ, ছাত্রলীগ ওসমানী মেডিকেল, নার্সিং এসোসিয়েশন ওসমানী মেডিকেল, পরিচালক ওসমানী মেডিকেল, ওসমানী ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী কল্যাণ সমিতি, নাট্যালোক, সপ্তবর্ণ নাট্য পরিষদ ও এসসিএস ক্যাবল সিস্টেম প্রাইভেট লিমিটেড। খুলনা ব্যুরো : রাত ১২টা ১ মিনিটে নগরীর শহীদ হাদিস পার্কে শহীদ মিনারে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পুষ্পমাল্য অর্পণের মধ্য দিয়ে খুলনায় দিবসটির সূচনা করা হয়। এরপর শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান, সিটি মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক, বিভাগীয় কমিশনার, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, জেলা প্রশাসন, মেট্রোপলিটন পুলিশ, রেঞ্জ ও জেলা পুলিশ, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, সিপিবি, খুলনা প্রেস ক্লাব, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়ন, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটসহ বিভিন্ন সংগঠন শ্রদ্ধা নিবেদন করে। রোববার সকালে খুলনা প্রেস ক্লাবে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রেস ক্লাবের সভাপতি আহমদ আলী খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন অধ্যক্ষ আলী আহমেদ, মকবুল হোসেন মিন্টু, একে হিরু, গোলাম মোস্তফা সিন্দাইনী, শেখ আবু হাসান, এসএম জাহিদ হোসেন, অমিয় পাল, মোঃ সাহেব আলী, মল্লিক সুধাংশু, মোজাম্মেল হক হাওলাদার, সুবীর রায়, আইফার রাহমান প্রমুখ। খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের উদ্যোগে নিজস্ব কার্যালয়ে শেখ আবু হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন মকবুল হোসেন মিন্টু, একে হিরু, এসএম জাহিদ হোসেন, মোঃ সাহেব আলী, মোজাম্মেল হক হাওলাদার, মল্লিক সুধাংশু, হেদায়েৎ হোসেন, সুবীর রায়, তাপস কান্তি দাস, আসাদুজ্জামান রিয়াজ, মেহেদী হাসান প্রমুখ। খুলনা মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের উদ্যোগে নিজস্ব কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। রোববার সকালে খুলনা জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে প্রভাতফেরি বের হয়। প্রভাতফেরি শেষে দলীয় কার্যালয়ে মেয়র তালুকদার আবদুল খালেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সংসদ সদস্য মোল্লা জালাল উদ্দিনসহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতারা বক্তৃতা করেন। এছাড়া বিএনপি, জাতীয় পার্টি, সিপিবি, জাসদ, উদীচী, রূপান্তর, যুগান্তর স্বজন সমাবেশসহ বিভিন্ন সংগঠন নগরীতে প্রভাতফেরি বের করে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মসূচির মধ্যে ছিল- সকালে প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণ, শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয় জামে মসজিদে দোয়া মাহফিল এবং বিকালে বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে অমর একুশে পালন করে। রাজশাহী ব্যুরো : একুশের প্রথম প্রহর রাত ১২টা ১ মিনিটে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে নগরীর ভুবন মোহন পার্ক শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। রাজশাহী কোর্ট শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিভাগীয় কমিশনার হাফিজুর রহমান ভূঞা, জেলা প্রশাসক শেফাউল করিম, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মখলেসুর রহমান ও মহানগর পুলিশ কমিশনার নওশের আলী। রাজশাহী কলেজ শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনু। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ রাজশাহী কলেজ শহীদ মিনারে ও বেশ কয়েকটি সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন ভদ্রা স্মৃতি অম্লানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এছাড়া আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, ছাত্রদল, যুবদল, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি, রাসিক, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল, রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স, রাজশাহী মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাব, ছাত্রমৈত্রী, যুবমৈত্রী, সিপিবি, জাতীয়তাবাদী কৃষক দল, কৃষকলীগ, ছাত্র ইউনিয়ন, ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ, সড়ক পরিবহন গ্রুপ, রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়ন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, সাংস্কৃতিক জোটসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং প্রতিষ্ঠানসমূহ নগরীর বিভিন্ন শহীদ মিনারে ও যুগান্তর স্বজন সমাবেশ রাজশাহী শাখা দেশের প্রথম রাজশাহী কলেজের নির্মাণাধীন শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। এদিন নগরভবনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ, বাদ জোহর সোনাদীঘি জামে মসজিদে ভাষা শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। একুশের প্রথম প্রহরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালার ব্যবস্থাপনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আবাসিক হল প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। সকাল ৮টায় কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে আলোচনা সভা, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, বাদ জোহর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া মহান একুশে ফেব্রুয়ারি পালনের লক্ষ্যে বিএনপি, আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক এবং সামাজিক সংগঠন দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করে। এদিকে মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে উপজেলা, ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়েও বিভিন্ন সংগঠন দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে।
Comments (0)Add Comment

Write comment
You must be logged in to post a comment. Please register if you do not have an account yet.

busy
 

ক্ষমতায় গেলে প্রধানমন্ত্রীর ‘শিক্ষা’ কাজে লাগাবে বিএনপি— প্রধান বিরোধী দলের এই মনোভাব সমর্থন করেন কি?

কিবোর্ড নির্বাচন করুন

ইনস্ক্রিপ্ট
ইউনিজয়
প্রভাত
ফনেটিক
ফনেটিক ইন্ট.
English

ব্যাবহারিক লগইন ফর্ম

কে অনলাইনে আছেন

আমাদের এখন 4 জন অতিথি অনলাইনে আছেন